প্রাকৃতিক উপায়ে ঘরে বসেই ‘পার্লার-ফিনিশ’

632

lemon-woman-EDITEDসুন্দর ত্বক এবং চুল পাওয়ার জন্য আমরা তো অনেক কিছুই ব্যবহার করি। কিন্তু বিভিন্ন ক্রিম-লোশন ইত্যাদিতে কত কেমিক্যাল থাকে তা আপনার জানা আছে? এবং এগুলি উপকার করার বদলে ত্বক ও চুলের বিপুল পরিমাণ ক্ষতিই করে থাকে। তাই রূপচর্চার জন্য বেছে নিন আপনার হাতের কাছেই থাকা কিছু ঘরোয়া টোটকা।
নিম
নিম যে ত্বকের জন্য খুবই উপকারী তা সবারই জানা। নিমপাতা বেটে তার সঙ্গে বেসন-হলুদ দিয়ে অনায়াসে আপনার মুখে রোজ একবার করে লাগাতে পারেন। তাহলে তৈলাক্ত ত্বক বা ব্রণর সমস্যা দূর হবে।neem চুলের জন্যও নিম খুব কার্যকরী। যেকোনও হেয়ারঅয়েলের সঙ্গে নিমপাতা ফুটিয়ে রেখে দিন। পরে ঠান্ডা করে তা মাথায় ম্যাসাজ করুন, এতে যেকোনও ফাঙ্গাল ইনফেকসন থেকে মুক্ত থাকবেন আপনি।
হলুদ
গোটা হলুদ ভালো করে বেটে নিয়ে নিমপাতার সঙ্গে মুখ মাখতে পারেন, কিন্তু যদি আপনার ত্বক শুষ্ক হয় তাহলে দুধের সরের সঙ্গে হলুদবাটা মিশিয়ে মুখে লাগান, সেইসঙ্গে গলায় ও ঘাড়েও ভালো করে লাগিয়ে তারপর ধুয়ে ফেলুন। আপনার রঙ স্বাভাবিকভাবে উজ্জ্বল ও ফর্সা হবে।haldi
দই
দই চুলের জন্য খুব ভালো। ডিম ও পাতিলেবুর রসের সঙ্গে টকদই ভালো করে ফেটিয়ে চুলে লাগালে চুলের রুক্ষভাব কাটবে। হেনা করার সময়েও তাতে অর্ধেক ভাগ দই মিশিয়ে নিতে পারেন, এতে চুল উজ্জ্বল হবে। ত্বকের জন্য অ্যান্টিট্যান প্যাক হিসাবে দই খুব উপকারী। মুখে-হাতে-পায়ে সানট্যান পড়ে গেলে নিয়মিত টকদই লাগিয়ে রাখুন ভালো করে, একঘন্টা পর ধুয়ে ফেলুন, মাত্র তিন-চারসপ্তাহ নিয়মিত এই রুটিন মেনে চললেই আপনি পাবেন ট্যান ফ্রী-গ্লোয়িং স্কিন।
লেবুর রস
পাতিলেবুর রসের সঙ্গে চিনি খুব ভালো প্রাকৃতিক স্ক্রাব। হাতে-পায়ের ব্ল্যাকহেডসযুক্ত জায়গায় ভালো করে এই মিশ্রণ লাগিয়ে রাখলে ত্বক নরম হবে। চুলে খুস্কির সমস্যা থাকলে হালকা তেলের সঙ্গে লেবুর রস মিশিয়ে স্কাল্পে একঘন্টা লাগিয়ে রেখে শ্যাম্পু করে নিন। হেয়ারপ্যাকেও লেবুর রস মেশাতে পারেন, চুল উজ্জ্বল হবে। তাহলে হাতের কাছে থাকা এইসব উপাদান দিয়ে রূপচর্চা শুরু করে দিন, আর হাতেনাতে সুফল পান।