বিভিন্ন শাড়ি ভাল রাখার নানা উপায়

287

প্রাণাধিক প্রিয় এক একটা শাড়ি, তাই না? ভীষণ যত্নে সন্তান স্নেহে সাজিয়ে গুছিয়ে রাখেন শাড়ি৷ কিন্তু জানেন কি? সঠিক যত্নের অভাবে নষ্ট হয়ে যেতে পারে শখের শাড়িটি। জেনে নিন কোন শাড়ি কীভাবে সুরক্ষিত রাখবেন দীর্ঘদিন।
সুতি
এমনিতে সাধারণ লন্ড্রি বা বাড়িতেই কাচতে পারেন, কিন্তু শাড়িতে জরির কাজ থাকলে ড্রাই ওয়াশ করাই ভালো। সুতির শাড়িতে স্টার্চ বা মাড় দিতে হয় ঠিকই, তবে বার বার মাড় দেওয়ার কারণে সুতি শাড়ি নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনাও থাকে।
কোরা
মলমলের কাপড়ে জড়িয়ে, লম্বা কাঠের লাঠিতে শাড়ি পেঁচিয়ে রাখুন। কিছুদিন পর পর ভাঁজ খুলে, নতুন করে ভাঁজ করুন। যাতে ভাঁজে ভাঁজে শাড়ি ছিড়ে না যায়। ভুলেও হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখবেন না এই ধরনের শাড়ি।
টিস্যু
বাড়িতে নয়, একমাত্র বেনারসি শাড়ির কারিগরদের হাতেই ওয়াশ করাবেন টিস্যু শাড়ি। সাধারণ ড্রাই ক্লিনিং করলে শাড়িতে ভাঁজ পড়ে যেতে পারে।

শিফন
শিফন শাড়ি খুবই নাজুক। রোলার আয়রন ব্যবহার করবেন না, এতে শিফনের স্বাভাবিক ভাঁজ নষ্ট হয়ে যায়। সেফটিপিনও ব্যবহার না করা ভালো। ভারি এমব্রয়ডারি করা শিফন হ্যাঙ্গারে ঝুলিয়ে রাখবেন না, নকশার ভারে শাড়ি ছিঁড়ে যেতে পারে।
আরও কিছু টিপস
দামী শাড়ি মসলিন কাপড়ে মুড়িয়ে রাখুন। এতে শাড়িতে দুর্গন্ধ হয় না। পাশাপাশি ময়লা, ধুলোবালি লাগারও কোনও সুযোগ থাকে না।
মেটাল হ্যাঙ্গারে শাড়ি ঝুলিয়ে রাখবেন না। শাড়িতে মরিচার দাগ লেগে যেতে পারে।
ডিটারজেন্ট দিয়ে ধোয়ার থেকে ড্রাই ক্লিনিং করাই ভালো। বিকল্প হিসেবে শ্যাম্পু কিংবা শ্যাম্পু ও ডিটারজেন্টের মিশ্রণও ব্যবহার করতে পারেন।
সরাসরি সূর্যের আলোয় কখনও শাড়ি শুকাবেন না। রং নষ্ট হয়ে যাবে।
নেইল পলিশের দাগ তুলতে ব্যবহার করুন অ্যাসিটোন। তেলের দাগ তুলতে ধোয়ার আগে দাগের উপর ট্যালকম পাউডার ও সামান্য ডিটারজেন্ট ঘষে নিন ।
ভারি নকশাকার শাড়ি ভালো রাখতে সবসময় শাড়ির উল্টো দিকটা বাইরের দিকে রেখে ভাঁজ করুন।
শাড়িতে সরাসরি সুগন্ধি ছড়াবেন না। স্থায়ী দাগ পড়ে যেতে পারে।
সবসময় হালকা থেকে মাঝারি তাপমাত্রায় শাড়ি ইস্ত্রি করুন। বেশি তাপ লাগলে ছাপ ছোপ দাগ পড়ে যাবে।
পোকামাকড় থেকে বাঁচাতে শাড়ির আশপাশে ন্যাপথালিন বল না রেখে নিম পাতা ব্যবহার করুন।